Breaking News
Home / বিস্ময়কর / ব্ল্যাকহোল কি? এই প্রথম ব্ল্যাকহোলের ছবি বিজ্ঞানীরা তুলে ধরলেন সারা পৃথিবীর কাছে..

ব্ল্যাকহোল কি? এই প্রথম ব্ল্যাকহোলের ছবি বিজ্ঞানীরা তুলে ধরলেন সারা পৃথিবীর কাছে..

মহাকাশ গবেষণায় বিজ্ঞানীরা এই প্রথমবার ব্ল্যাক হোল অর্থাৎ কৃষ্ণ গহবরের ছবি তুলতে সক্ষম হলেন। এটা নাকি মহাজাগতিক বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটা বিশাল বড় ঘটনা, যা কখনো এটি সম্ভব হয়নি।

কৃষ্ণ গহবর বা ব্ল্যাকহোল হলো মহাকাশের এমন একটি অংশ যেটির মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটাই উন্নত হয় যে তার হাত থেকে কোনকিছুই রক্ষা পায় না এমনকি আলোকরশ্মিও পালাতে পারে না।একটি নাম গহ্বর বলা হল এটা কিন্তু আসলে একটা ফাঁকা অংশ নয়। এর মধ্যে রয়েছে খুব ছোট একটি প্রচুর পরিমাণে পদার্থ জমাট বাঁধা অবস্থায় আছে। যার কারণেই এই ব্ল্যাক হোলের মহাকর্ষ শক্তি খুবই জোরালো হয়।

এই সদ্য তোলা ব্ল্যাক হোলের ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে একটি কালো রংয়ের বৃত্তাকার আর চারিদিকে আগুনের বলয়। এই ব্ল্যাক হোলের ছবি পৃথিবীর আটটি প্রান্ত থেকে টেলিস্কোপ নেটওয়ার্ক এর সাহায্যে এই ছবি তোলা হয়েছে। যেমন আন্টার্টিকা স্পেন ও চিলির মত ইত্যাদি জায়গায়।এই ঘটনা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের এর আগে কখনো সম্ভব হয়নি অর্থাৎ একটি টেলিস্কোপ এর দ্বারা এই ছবি তোলার ক্ষমতা কখনো সম্ভব ছিল না।M87 নামে একটি বহু দূরে অবস্থিত ছায়াপথ বা গ্যালাক্সি মধ্যে এটি দেখতে পাওয়া গেছে।

এই কৃষ্ণ গহ্বর টি পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০ কোটি ট্রিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। জানা গেছে এটি সূর্যের চাইতে ৬৫০ কোটি গুণ ভারী। এই কৃষ্ণ গহ্বরটি এতটাই বড়, যে কারণে বিজ্ঞানীরা এটিকে “দানব” বলে বর্ণনা করেছেন। শুধু তাই নয় এই ব্ল্যাক হোল টির ঔজ্জ্বল্য এতটাই বেশি যে ওই ছায়াপথের সমস্ত তারাগুলি মিলেও যে ঔজ্জ্বল্য হবে তার চাইতেও অনেক বেশি।

বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন যে, এই বিশালাকৃতি কৃষ্ণ গহ্বর টি পৃথিবীর চাইতে ৩০ লক্ষ গুণ বড়। এই কৃষ্ণগহ্বরের আপাদমস্তক এর আয়তন হলো চার হাজার কোটি কিলোমিটার।এই ব্ল্যাক হোল আবিষ্কারের কথা প্রথম বিস্তারিত ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স থেকে। এই আবিষ্কারের ফলে মানুষ মহাকাশ সম্পর্কে আরও একটি নতুন তথ্য জানতে পারল। মহা বিজ্ঞানীরা আশা করেছেন এই আবিষ্কারের পর আরো নতুন কিছু তথ্য ও রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

About admin

Check Also

বাংলা তো বটেই, গোটা দেশ এখন তাঁর জন্য গর্বিত, দুর্গম ইংলিশ চ্যানেল পার করলেন বাংলার সাঁতারু সায়নী দাস।

লক্ষ্য সাত সমুদ্র পার সেই লক্ষ্যে আরো একবার এগিয়ে গেলেন বাংলা সাঁতারু সায়নী দাস। ইংলিশ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *